আজকের সকল শিরোনাম
ফটোগ্যালারি
বুধবার, ঢাকা ॥ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ॥ ২৮ মাঘ ১৪২২ ॥ ৩০ রবিউস সানি ১৪৩৭
সংবাদ শিরোনাম :
সাংবাদিক তোয়াব খানসহ একুশে পদক পাচ্ছেন ১৬ জন      দুই সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে হাইকোর্টের রুল      সিদ্ধিরগঞ্জে নগদ টাকা-মোবাইলসহ ২ মাদকব্যবসায়ী গ্রেপ্তার      শেরপুরে বাঘের আক্রমণে মেয়র আহত      চবিতে ছাত্রলীগ কমিটি স্থগিত      বাংলাদেশকে সতর্ক করে মার্কিন গোয়েন্দা প্রধানের বার্তা      শমসের আলমের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক      
চকরিয়ায় ইউএনও’র সহায়তায় বাল্য বিয়ে বন্ধ
Published : Wednesday, 10 February, 2016 at 2:12 PM, Update: 10.02.2016 2:18:31 PM
চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
চকরিয়ায় ইউএনও’র সহায়তায় বাল্য বিয়ে বন্ধ বিয়ের সবকিছু ঠিকটাক। আত্মীয় স্বজনদের নিমন্ত্রণ থেকে শুরু করে সব আয়োজন সম্পন্ন। আগামী শুক্রবার ১২ ফেব্রুয়ারি ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শিশু কন্যাকে কনে সাজিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বর পক্ষের লোকজনের হাতে তুলে দেওয়ার অপেক্ষা। এক কান-দুকান ঘুরে খবরটি পৌঁছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে। সাথে সাথেই এ্যাকশন। তিনি স্থানীয় চেয়ারম্যানের সহায়তায় বন্ধ করেন বাল্য বিয়েটি। কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা হারবাং ইউনিয়নে ঘটে ঘটনাটি।

জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া জান্নাতুল নাঈমা’র (১৩) সাথে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিয়ে হওয়ার দিন ধার্য হয় বরইতলী ইউনিয়নের খয়রাতি পাড়ার কামাল হোসেনের ছেলে কুতুব উদ্দিনের সাথে। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বাল্য বিয়ে হচ্ছে খবরটি পেয়ে হারবাং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন আহমদ বাবরকে বাল্য বিয়েটি বন্ধ করার নির্দেশ দেন। পরে ইউপি চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন আহমদ বাবর মেয়ের বাড়িতে গিয়ে বিয়েটি বন্ধ করতে বলেন।

হারবাং ইউপি চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন আহমদ বাবর বলেন, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে আমাকে মুঠোফোনে বলেন বাল্য বিয়ের খবরটি। তিনি আমাকে মোবাইলে বিস্তারিত জানান এবং মেয়ের পরিবারের সদস্যদের বুঝিয়ে বাল্য বিয়েটি বন্ধ করতে বলেন। পরে আমি মেয়ে পক্ষের লোকজনের সাথে কথা বলি। বাল্য বিয়ের সুফল-কুপল সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়। এছাড়া আইনী সমস্যার কথাও বুঝায় তাদের। এসব শুনে মেয়ের অভিভাবক মুচলেকা দেন তাদের মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবে না।
 
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম বলেন, হারবাং ইউনিয়নে গোপনে বাল্য বিয়ে হচ্ছে খবর পেয়ে ওই ছাত্রীর বাড়িতে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে পাঠাই। পরে ছাত্রীর বাবা-মা’র সাথে কথা বলে বাল্য বিয়েটি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ছাত্রী প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত মেয়ের বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন।




সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত