আজকের সকল শিরোনাম
ফটোগ্যালারি
বুধবার, ঢাকা ॥ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ॥ ২৮ মাঘ ১৪২২ ॥ ৩০ রবিউস সানি ১৪৩৭
সংবাদ শিরোনাম :
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা      নতুন তর্কে সর্বোচ্চ আদালত      টি২০ বিশ্বকাপে খেলবেনা ওয়েস্ট ইন্ডিজ!      হাসপাতাল গুলোতে জরুরি চিকিৎ​সাসেবা দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের      সহিংসতার মোকাবেলায় ‘গুলতি’      ১০ পৌরসভার নির্বাচন ২০ মার্চ       ‘নাশকতার মামলায় জামিন প্রপ্তরা নিবিড় নজরদারিতে থাকবে’      
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী
‘নাশকতার মামলায় জামিন প্রপ্তরা নিবিড় নজরদারিতে থাকবে’
Published : Wednesday, 10 February, 2016 at 7:23 PM, Update: 10.02.2016 9:55:23 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
‘নাশকতার মামলায় জামিন প্রপ্তরা নিবিড় নজরদারিতে থাকবে’নাশকতার মামলায় যেসব আসামি জামিন পেয়েছেন, তারা যাতে ফের এ ধরনের অপতৎপরতা চালাতে না পারেন সেজন্য তাদের নিবিড় নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার বিকেলে দশম জাতীয় সংসদের নবম অধিবেশনে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরকালে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে জনসাধারণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। পুলিশের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ জনগণের সম্পদ ও জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রতিটি অভিযোগ যথাযথভাবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের চাকরি থেকে বরখাস্তসহ বিধি অনুসারে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নাশকতামূলক ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তথ্য যাচাই করে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াসহ গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হচ্ছে। এ ছাড়া বিদেশি নাগরিকদের বসবাসের এলাকা ও চলাচলের রাস্তাসমূহে গোয়েন্দা কার্যক্রম অধিকতর জোরদার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আজ তাঁর প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য মো. মনিরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, সরকার সব খাতে গ্যাস ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধিসহ এর অপচয় রোধকল্পে এবং গ্যাসের মওজুদ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রাকৃতিক গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার উৎপাদন, শিল্প, বাণিজ্যিক, সিএনজি এবং গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানির সিংহভাগ চাহিদা প্রাকৃতিক গ্যাস পূরণ করে থাকে। সরকার বিদ্যুৎ খাতে জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতে নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের সময় স্বল্প ক্ষমতার সিঙ্গে সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ না করে কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছে। এটি সিঙ্গেল সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি দক্ষতা যেখানে শতকরা ৩১-৩৫ ভাগ সেখানে বৃহৎ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি দক্ষতা শতকরা ৫০ ভাগ বা তারও বেশি। এতে একদিকে জ্বালানির সাশ্রয় হবে। অন্যদিকে ইউনিট প্রতি বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কম হবে। অদক্ষ ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা বন্ধ করে দিয়ে সেখানে আধুনিক শাহজালাল সার কারখানা স্থাপন করা হয়েছে। সীমিত গ্যাস সম্পদের মধ্যে যে সব সার কারখানা অধিক সাশ্রয়ী সেগুলোতে গ্যাস ব্যবহারে অগ্রাধিকার প্রদান করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, গ্যাস অপচয় রোধে শিল্প গ্রাহকদের ইভিসি মিটার প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া শিল্প খাতে বয়লারে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য গ্রাহকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। আগামী এক বছরের মধ্যে ক্যাপটিভ পাওয়ার খাতে জ্বালানি ব্যবহারে দক্ষতা কমপক্ষে শতকরা ৬০ ভাগ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে কো-জেনারেশন ইভি ট্রি-জেনারেশনের মাধ্যমে জ্বালানি দক্ষতা উন্নয়ন সম্ভব হবে। আবাসিক খাতে গ্যাসের অপচয় রোধকল্পে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় তিতাস গ্যাস টিএন্ডটি কোং লিঃ (টিজিটিডিসিএল)-এর মাধ্যমে মোহাম্মদপুর, লালমাটিয়া এলাকায় ৪ হাজার ৫শ’টি আবাসিক প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে। তিতাস গ্যাসের আওতাধীন এলাকায় এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ৮ হাজার ৬শ’টি আবাসিক প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম এলাকায় ৬০ হাজার প্রি-পেইড মিটার স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাস অধিক উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার করার উদ্দেশ্য আবাসিক খাতে ও পরিবহন খাতে এলপিজির ব্যাপক ব্যবহার চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিগত সাত বছরে গ্যাসের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি পেলেও চাহিদা অধিক হারে বাড়তে থাকায় সরবরাহের তুলনায় ঘাটতি এখনও প্রায় দৈনিক ৫শ’ মিলিয়ন ঘনফুট। এ ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে আগামী ২০১৭ সালের মধ্যে ৫শ’ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি আমদানির কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা মিটানোর লক্ষ্যে ২০২১ সালের মধ্যে ৫৩টি অনুসন্ধান কূপ খনন, ৩৫টি উন্নয়ন কূপ খনন এবং ২০টি কূপের ওয়ার্কওভার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ সকল কূপ থেকে আনুমানিক দৈনিক ৯৪৩ থেকে ১ হাজার ১০৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে আশা করা যায়। ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সামুদ্রিক সীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ায় বর্তমানে গভীর এবং অগভীর সমুদে অনুসন্ধান উপযোগী ব্লকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অঞ্চলের অনুসন্ধান তৎপরতা বৃদ্ধির জন্য আরও ব্লক ইজারা প্রদানের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া সম্ভাব্য রিডারদের আকর্ষণ করার জন্য সমুদ্রাঞ্চলে নন-এক্সক্লুসিভ মালটিক্লায়েন্ট ২-ডি সাইসমিক সার্ভে সম্পন্ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সংসদে নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সদস্য নূরুল ইসলাম মিলনের মাদকদ্রব্য বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মাদকমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার মাদকসেবী ও মাদক চোরাকারবারীদের প্রতি শূন্য সহনশীলতার নীতি অবলম্বন করছে। এ ধরনের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য আইন-শৃংখলা বাহিনী দেশব্যাপী নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।  চোরাকারবারীদের মাধ্যমে ক্ষতিকর মাদকদ্রব্য যাতে দেশের বাইরে থেকে দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে না পারে সে জন্য স্থল বন্দর, আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, সমুদ্র বন্দর ও ঝুঁকিপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় আইন-শৃংখলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাদকের সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের বিরুদ্ধে অপরাধের ধরন অনুযায়ী ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০’ ও ‘বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪’ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হচ্ছে। দেশের যুব সমাজকে মাদকের ক্ষতিকর ছোবল থেকে রক্ষা করার জন্য আইনের কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি সভা, সেমিনার, মাদকবিরোধী প্রচারণা, কমিউনিটি পুলিশিং ইত্যাদির মাধ্যমে তাদেরকে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতন করা হচ্ছে। মাদকের অবৈধ পাচার প্রতিরোধে গত ২০১৫ সালের ২২-২৩ মার্চে ৪র্থ বারের মতো ঢাকায় মহাপরিচালক পর্যায়ে ভারত এবং ২০১৫ সালের ৫-৬ মে ঢাকায় নোডাল এজেন্সী পর্যায়ে দ্বিতীয় দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক মায়ানমারের সাথে অনুষ্ঠিত হয়। এখানে মাদকের অবৈধ পাচার ও ভয়াবহতা রোধে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামীতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো এ বিষয়ে আরও বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে মর্মে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনায় মতামত ব্যক্ত করা হয়। এছাড়া ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলাসমূহে ডিসি-ডিএম সভা নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় ইয়াবা পাচাররোধকল্পে টাস্কফোর্স গঠন করে কক্সবাজার ও বান্দরবান জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ ও দেশের অভ্যন্তরে মাদকের চোরাচালান রুট, মাদক প্রবণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে দেশের তরুণ ও যুব সমাজকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষার জন্য দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যুব সমাজকে মাদকের অপব্যবহার থেকে রক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ কে যুগোপযোগী করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। শিগগিরই আইনটি সংশোধন কার্যক্রম চূড়ান্ত হবে।

অধিবেশনে রাঙামাটির স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদারের সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যে ধারাগুলো এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, সেটা আমরা করব। তবে ভূমি কমিশন বারবার করা হচ্ছে। আমি চাই ভূমি কমিশনকে আরও একটু সহযোগিতা করতে। কারণ, এখানে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদসহ সকলে যদি ভূমি কমিশনকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আরও সহযোগিতা করে, তাহলে এটা আরও দ্রুত কার্যকর করতে পারব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ চুক্তি করার সময় আমরা কোনো বিদেশি শক্তির কাউকে সম্পৃক্ত করিনি। কারণ, আমরা এই সমস্যাটা একটি রাজনৈতিক সমস্যা হিসেবে দেখেছি। পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের একটি নিজস্ব স্বতন্ত্রবোধ আছে। এই স্বতন্ত্রবোধের কথা চিন্তা করে পার্বত্য শান্তি চুক্তির যে ধারাগুলো এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, সেগুলোও আমরা করব। পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকার যাবতীয় ব্যবস্থা আমরা করেছি। যারা চাকরি চেয়েছিল, তাদের চাকরি দিয়েছি। পুলিশে নিয়োগের ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করে চাকরি দিয়েছি। তাদের খাবারের জন্য আতপ চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। তাদের জীবন-জীবিকার জন্য যা যা করার প্রয়োজন আমরা করেছি।

তিনি বলেন, শান্তিচুক্তি যখন করেছি, তার পুরোপুরি বাস্তবায়ন করব। এখনো যেসব ধারা বাস্তবায়ন হয়নি, সেগুলো করব। আমরা সব সময় বলেছি, সমাধান হবে সংবিধানের ভেতরে থেকে বাইরে কিছু হবে না। তারা স্বাতন্ত্র্যপ্রিয় বলে তাদের বিষয়গুলোও চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। চুক্তির ধারা অনুযায়ী চুক্তি বাস্তবায়ন করব। যখন চুক্তি হয় বিএনপি-জামায়াত তার বিরোধিতা করেছিল। বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিল এই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের ফেনী পর্যন্ত ভারত হয়ে যাবে। তিনি তখন ফেনীর সংসদ সদস্য তাই তাকে প্রশ্ন করেছিলাম ফেনী যদি ভারত হয়ে যায়, তাহলে কি তিনি ভারতের সংসদে গিয়ে বসবেন। যেদিন অস্ত্র সমর্পণ হয়, সেদিন বিএনপি পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় হরতাল-অবরোধ ডেকেছিল, যাতে অস্ত্র সমর্পণ না হয়। এই ১০ ফেব্রুয়ারি কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্ত্র সমর্পণ করা হয়।

তিনি বলেন, আমরা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করেছি। হঠাৎ করেই চুক্তি করেছি তা নয়। আমি ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে ঘোষণা দিয়েছিলাম যে, পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা রাজনৈতিক সমস্যা। তাই সামরিক শক্তি দিয়ে নয় রাজনৈতিকভাবে এর সমাধান করতে হবে। চুক্তির পর অস্ত্র সমর্পণ অনুষ্ঠানে আমি নিরাপত্তার সকল ব্যারিকেড ভেঙে তাদের কাছে চলে গিয়েছিলাম। এরপর ওই অঞ্চলের যখনই কোনো ঘটনা ঘটেছে আমি তখনই ছুটে গেছি। সমস্যার বিষয়গুলো আমার জানা। সমাধানের পথ কী তা নিয়ে কমিটি করে দিয়েছি, দীর্ঘদিন কাজ করেছি।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য শামসুল হক চৌধুরীর অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে এয়ারপোর্ট করতে হলে, পাহাড় কেটে করতে হবে। সেটা পার্বত্য চট্টগ্রামের জন্য ভালো হবে না। আমরা রাস্তা করে দিচ্ছি। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বেশি দূরে নয়, প্রশস্ত রাস্তা আছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য রাস্তা দিয়ে চলাই সুন্দর হবে। এয়ারপোর্টের দরকার নেই।


এই বিভাগের আরও খবর
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত