আজকের সকল শিরোনাম
ফটোগ্যালারি
বৃহস্পতিবার, ঢাকা ॥ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ॥ ২৯ মাঘ ১৪২২ ॥ ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৭
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে ডেইলি স্টার সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা      শাহজালালে ব্যাক্তির শরীরে আড়াই কেজি স্বর্ণ      হাসিনার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রশংসায় বার্নিকাট      কৃষি সচিব হচ্ছেন আনোয়ার ফারুক       ‘মন্ত্রীরা বেতন নেয় বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার করার জন্য’      নিজস্ব ক্যাম্পাসে কার্যক্রম চালাতে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী      কারিনার ‘ক্লিন ঢাকা’ কনসার্ট স্থগিত      
এদিন ঢাকা ছিল মিছিলের নগরী
Published : Thursday, 11 February, 2016 at 12:00 AM
নিজস্ব প্রতিবেদক
একুশের চেতনা ও আবেগ বাংলার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে দেশের বুদ্ধিজীবী, কবি, সাহিত্যিকরা ছিলেন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বাঙালির চেতনা দিয়ে রচিত হয়েছিল দেশাত্মবোধক গান, নাটক, গল্প, কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল আবদুল গাফফার চৌধুরী রচিত ও আলতাফ মাহমুদ সুরারোপিত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটি।
১৯৫২ সালের এদিনে ঢাকা মিছিলের নগরীতে রূপ নেয়। সর্বত্র শোনা যায় একই সেøাগানÑ রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই। ৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদের আহ্বানে রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে ঢাকা শহরে স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট পালিত হয়।
ওই দিন রাজপথে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতা। ধর্মঘট-বিক্ষোভ শেষে অনুষ্ঠিত সভায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। আর ২১ ফেব্রুয়ারি গোটা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল, সভা ও মিছিল কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে ৩১ জানুয়ারি ঢাকা বার লাইব্রেরিতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে এক সভায় সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। পরিষদের আহ্বায়ক মনোনীত হন কাজী গোলাম মাহবুব। ২১ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি সফল করতে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখে।
উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বরে গঠিত রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের ৮ দফা মেনে নিয়ে চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নাজিমউদ্দিন। চুক্তিতে তিনি পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে মেনে নেন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তা পাঠাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন।
 


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত