আজকের সকল শিরোনাম
ফটোগ্যালারি
বৃহস্পতিবার, ঢাকা ॥ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ॥ ২৯ মাঘ ১৪২২ ॥ ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৭
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে ডেইলি স্টার সম্পাদকের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা      শাহজালালে ব্যাক্তির শরীরে আড়াই কেজি স্বর্ণ      হাসিনার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রশংসায় বার্নিকাট      কৃষি সচিব হচ্ছেন আনোয়ার ফারুক       ‘মন্ত্রীরা বেতন নেয় বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার করার জন্য’      নিজস্ব ক্যাম্পাসে কার্যক্রম চালাতে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী      কারিনার ‘ক্লিন ঢাকা’ কনসার্ট স্থগিত      
গা থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার যত কারণ
Published : Thursday, 11 February, 2016 at 12:00 AM
ডা. দিদারুল আহসান
মানুষের গা থেকে বিভিন্ন ধরনের গন্ধ বের হয়। এই দুর্গন্ধের মূল উৎস হলো বগল। কেন এ দুর্গন্ধ? দেখা গেছে, বগলের ত্বকের অ্যাপোক্রিন ঘর্মগ্রন্থি থেকে বেরোয় কিছু নিঃসরণ। ত্বকের ওপর থাকা ‘ডিপথেরয়েড’ (প্রোপিওনি ব্যাকটেরিয়া) জাতীয় কিছু জীবাণু এ নিঃসরণ পচিয়ে দেয়। তা থেকেই বের হয় এ দুর্গন্ধ। নিচু জাতের প্রাণীর ক্ষেত্রে অবশ্য এ গন্ধের একটা প্রয়োজন আছে। প্রাণীর যৌন আবেদনের পেছনে এ গন্ধের ভূমিকা অনেক। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম প্রাণী মানুষের ক্ষেত্রে এটা হয়ে গেছে উল্টো। মানুষের ক্ষেত্রে এ গন্ধ মোটেও যৌন আকর্ষণের জন্য নয়, বরং যৌন বিকর্ষণের কারণ।
বগলের দুর্গন্ধ কমানো যেতে পারে তিন ভাবে। অ্যাপোক্রিন ঘর্মনালির নিঃসরণ কমিয়ে দিয়ে; সুগন্ধির সাহায্যে দুর্গন্ধ ঢেকে দিয়ে এবং যেসব জীবাণু এ দুর্গন্ধের জন্য দায়ী, তা মেরে ফেলে দুর্গন্ধ দূর করা যায়।
ডিওডোরাইজার : বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান দাবি করে বসে, তাদের পণ্য ঘামের গন্ধ দূর করে থাকে। এসব পণ্য তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান হলোÑ প্রোপিলিন গ্লাইকল, পানি, সোডিয়াম স্টিয়ারেট এবং কিছু সুগন্ধি পদার্থ, যা ঘামের গন্ধ দূর করতে সাহায্য করে। কিন্তু এগুলো সুগন্ধি জাতীয় পদার্থ। বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ডিওডোরাইজারের মধ্যে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন গন্ধের সুগন্ধি।
ত্বকের জীবাণু নাশ করতে ব্যবহার করা হয় অ্যান্টিসেপটিক বা জীবাণুনাশক সাবান। এসব সাবানের মূল উপাদান ট্রাইক্লোকার্বন বা ট্রাইক্লোসান। ত্বক পানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়ার পরও যেসব জীবাণু ত্বকের ওপর থেকে যায়, তা মেরে ফেলে এ ধরনের সাবান। জীবাণুর সংখ্যায় কমে গেলে অ্যাপোক্রিন গ্রন্থির নিঃসরণ পচিয়ে দেওয়ার মতো কিছু থাকে না। ফলে দুর্গন্ধ দূর হয়। জীবাণুনাশক সাবানে ট্রাইক্লোসানের মাত্রা থাকে ১ শতাংশেরও কম। তবে ট্রাইক্লোসান মেশানো সাবানে কিন্তু সিউডোমোনা জাতীয় জীবাণু মরে না। এ সাবান শিশুদের ত্বকে লাগানো মোটেও উচিত নয়। কারণ বারবার ব্যবহার করলে শিশুর পাতলা ত্বকের মধ্য দিয়ে এ কেমিক্যাল শরীরের ভেতরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ট্রাইক্লোকার্বন জীবাণুর সঙ্গে সঙ্গে ছত্রাককেও প্রতিরোধ করে। সাবানে এর মাত্রা দেড় শতাংশ বা তারও কম।
লেখক : চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
কনসালট্যান্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আল-রাজী হাসপাতাল, ফার্মগেট, ঢাকা
০১৭১৫৬১৬২০০, ০১৮১৯২১৮৩৭৮  



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত